সক্রিয় জামতাড়া গ্যাং এর বাংলা ব্রাঞ্চ! কি করে সুরক্ষিত রাখবেন আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্ট ? জেনে নিন।

বাঁকুড়া পুলিশের বড়ো সাফল্য। ৪ সাইবার ক্রাইম গ্যাং এর সদস্যকে বীরভুমের খয়রাশোলের আমজোল থেকে ধরে ফেলল বাঁকুড়া পুলিশ।পাশাপাশি ঝাড়খন্ড থেকেও ১ এজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।সেই সাথে মেজিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিত বাউরীর একাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেওয়া৩ লাখ৭০ হাজার টাকা উদ্ধারও করা গেছে।

সক্রিয় জামতাড়া গ্যাং এর বাংলা ব্রাঞ্চ! কি করে সুরক্ষিত রাখবেন আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্ট ? জেনে নিন।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : জামতাড়া গ্যাং এর বাংলা ব্রাঞ্চ! জামতাড়ার সাইবার জালিয়াতি চক্রের এরাজ্যেও শাখার হদিশ মিলল জামতাড়া লাগোয়া বীরভূমের খয়রাশোলের আমজোলে।সেই সুত্র ধরে জামতাড়ার একজন ও আমজোলের ৪ জন মিলিয়ে মোট ৫ জনকে ধরে ফেলল বাঁকুড়া জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ। ধৃত এই পাঁচ জন অভিনব কায়দায় লোকের ব্যাঙ্ক একাউন্ট থেকে লাখ,লাখ টাকা জালিয়াতি করত।খয়রাশোল থেকে ধৃতদের আত্মীয় স্বজন রয়েছেন জামতাড়ায়। তাদের কাছেই এই জালিয়াতির পাঠ নেয় বীরভূম থেকে ধৃত চার জন। এবং এরাজ্যে জামতাড়ার শাখা হিসেবে তারা কাজ শুরু করে।

এদের জালিয়াতির ধরন একেবারেই আলাদা। এরা টাকা হাতানোর জন্য দীর্ঘ দিন ব্যবহার না করায় বন্ধ থাকা প্রি এক্টিভেট সিম জোগাড় করে।এই সিম অনেকেরই ব্যাঙ্ক একাউন্টের সাথে লিংক করা থাকে। কিন্তু সিম ব্যবহার না করলেও তারা,ব্যাঙ্কে আর সিম নাম্বার রেজিষ্ট্রেশন আপডেট করেন না। সেই সুযোগ কে কাজে লাগায় এরা৷ ব্যাঙ্কে কোন লেনদেন হলেই ওই নাম্বারে এসএমএস ঢোকে। তা থেকে তারা,বুঝে যায় একাউন্টে মোটা টাকা আছে।এর পর তারা একাউন্টটি ইউপিআই পরিষেবার সাথে যুক্ত করে টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনকি ব্যাঙ্কের নথিভুক্ত করা মোবাইল নাম্বারও বদলে দেয়। আর নিজেদের সেফ রাখতে একইভাবে অন্য গ্রাহকদের একাউন্ট যুক্ত করা ইউপিআই এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার করে। এবং নিজেরা এসবিআই ইউ নোর মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়।

সম্প্রতি মেজিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিত বাউরীর একাউন্ট থেকে তিন লাখ সত্তর হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় এই গ্যাঙ।এই ঘটনার তদন্তে নেমে ৫ জনকে ধরে ফেলে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল সামন্ত আজ সংবাদিক বৈঠক করে জেলা পুলিশের এই সাফল্যের কথা তুলে ধরেন।


এই জালিয়াতি ঠিক কি ভাবে করে এরা। আর আপনি,আমি এই জালিয়াতির হাত থেকে বাঁচব কি ভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর টা জানা জরুরী। এই সাইবার ক্রাইমের তদন্তে বড়ো ভুমিকা নেন ডিএসপি (ডি এন্ড টি) বিশ্বজিৎ নস্কর। তিনি দীর্ঘ দিন কলকাতা পুলিশে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন শাখায় কাজ করেছেন। তিনি এই সাইবার জালিয়াতির ধরণ ও তা এড়ানোর সহজপাঠ দিলেন আম জনতার জন্য। আসুন জেনে নিন। আর নিজের টাকা সুরক্ষিত রাখুন।

দেখুন 🎦 ভিডিও।


Next Story