স্বপ্নের দেশে পাড়ি স্বপন ঘোষের, জেলার সাংস্কৃতিক মহলে শোকের ছায়া।

দিন পাঁচেক আগেই হারিয়েছিলেন স্ত্রী মিতা দেবীকে। আর আজ হটাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজেও স্বপ্নের দেশে পাড়ি দিলেন সাংস্কৃতিক কর্মী ও জেলার বামপন্থী ব্যক্তিত্ব স্বপন ঘোষ। তার এই অকাল প্রয়াণে জেলার সাংস্কৃতিক মহল জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি বাঁকুড়া জেলা গ্রন্থাগারে দীর্ঘদিন গ্রন্থাগারিক হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করে ছিলেন।

স্বপ্নের দেশে পাড়ি স্বপন ঘোষের, জেলার সাংস্কৃতিক মহলে শোকের ছায়া।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : চলে গেলেন জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব স্বপন ঘোষ। আজ দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শহরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। গত ২ নভেম্বর স্ত্রী মিতা দেবীকে হারান তিনি। তারপর নিজেও পাড়ি দিলেন স্বপ্নের দেশে।

জেলায়,তাঁর হাত ধরেই অনেকের রাজনীতিতে যেমন হাতেখড়ি, তেমনি অনেকেরই জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির আঙ্গিনায় প্রথম পা রাখা। কারও কাছে দাদা,কারও কাছে কাকু বা কারও কাছে জেঠু হিসেবে সম্বোধন পেলেও সবার সাথে খোলামনে মিশে যেতেন তিনি।


জেলা গ্রন্থাগারিক হিসেবে কাজ করার সময় তার হাত ধরে জেলা বই মেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অনেক শিল্পীই আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। জেলার সাহিত্যিক বা সাংবাদিক যারাই কোন তথ্যের দরকারে লাইব্রেরিতে গিয়েছেন, তাদের হাসিমুখে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর সৃজনশীলতায় কয়েক দশক ধরে জেলা বইমেলাও অন্যমাত্রা পেয়াছিল। স্বপনদা'র দাড়িভরা সদা হাস্য বদনই ছিল তাঁর ইউএসপি।

জেলার এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়ে শোকের ছায়া জেলার সাংস্কৃতিক মহল জুড়ে। সোস্যাল সাইটের দেওয়াল ভরে গেছে তাঁর প্রয়াণে শোক জ্ঞাপন ও স্মৃতি চারণার লিখনে। বাঁকুড়া২৪X৭ এর শুরুর থেকে তাঁর সমর্থন ও পরামর্শ আমাদের অনেক সমৃদ্ধ করেছে। তার অকাল প্রয়াণে আমরাও শোকাহত। বাঁকুড়া২৪X৭পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি রইল শ্রদ্ধা।

Next Story