শহর বাঁকুড়া

সিসিটিভির ফুটেজ বন্দী লাল গাড়িই ধরিয়ে দিল শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী শুভঙ্করের খুনী কে।

সিসিটিভিতে বন্দী একটি লাল গাড়ীর ফুটেজের সূত্র ধরে শিবুর আন্তরঙ্গ বন্ধু রূপম ওরফে জাকির ইকবাল খিলজিকে.গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের জেরায় সে খুনের কথা স্বীকারও করে নেয়।

সিসিটিভির ফুটেজ বন্দী লাল গাড়িই ধরিয়ে দিল শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী শুভঙ্করের খুনী কে।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : গত রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ খাতড়া থানায় খবর আসে খাতড়া- গোড়াবাড়ি রোডের বাগজোবডার কাছে রাস্তার ধারে এক অজ্ঞাত পরিচিত যুবকের মৃত দেহ পড়ে আছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পাশাপাশি সব থানায় মৃতদেহের ছবিও পাঠানো হয়। বাঁকুড়া সদর থানার ইন্দারাগোড়ারব এক যুবকের নামে নিখোঁজ ডাইরি ছিল। সেই পরিবার কে ছবি দেখালে তারা চিনতে পারেন এ এই ছবি শুভঙ্কর দে ওরফে শিবুর।এর পর পরিবারের পক্ষ থেকে মর্গে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করে তার পরিবার।

ইতিমধ্যে শিবুর ব্যবহৃত স্কুটিটি কলেজ মোড় এলাকায় মেলে।পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর পরই খাতড়ার মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে ঘটিত হয় বিশেষ তদন্তকারী দল।শুরু হয়ভ খুনীকে চিহ্ণিত করার কাজ।২৩ তারিখের রাতে।কোন,কোন গাড়ী ওই রাস্তায় ঢুকেছিল তার তালিকাও বানিয়ে ফেলে পুলিশ এর পরই একটি লাল গাড়ী সন্দেহের তালিকায় উঠে আসে। খোঁজ হয় শিবুর কোন বন্ধুর লাল গাড়ী আছে। পুলিশ মৃত শিবুর এক বন্ধুর লাল গাড়ী চিহ্নিত করে ফেলে পুলিশ। এরপর ওই বন্ধু রূপম ওরফে জাকির ইকবাল খিলজির গতিবিধির ওপর চলে নজরদারি।

অবশেষে,বৃহস্পতিবার শহরের লালাবাজার এলাকা থেকে রূপম কে ধরে ফেলে পুলিশ।এর পর জেরায় ভেঙ্গে পড়ে সে খুনের ঘটনা স্বীকার করে নেয়। এবং বলে এই লাল গাড়ী করেই সে মৃতদেহ রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে এসেছিল। রূপম কে গ্রেপ্তার করে খাতড়া আদালতে আজ তোলা হলে বিচারক ছয় দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই খুনের কিনারা কিভাবে করল পুলিশ? তা সাংবাদিক বৈঠক করে খাতড়ায় বিস্তায় জানালেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন) গনেশ বিশ্বাস।

এদিকে,পেশায় যোগা ও ফিটনেস ট্রেইনার রূপম ওরফে জাকির শহরের ঈদগা মহল্লার সবুজ সংঘের গলির বাসিন্দা। তার সাথে স্বর্ণ ব্যবসায়ী শুভঙ্করের কিসের সম্পর্ক ছিল তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ এবং খুনের মোটিভ কি ছিল তাও কানার জন্য ম্যারাথন জেরা চলচ্ছে ধৃত রূপমের।

👁️‍🗨️দেখুন 🎦ভিডিও। 👇


Next Story