কোভিডকে হারাতে মুড়ি মেখেই সঞ্জীবনী লাভের আশায় মেলা ভীড় কেঞ্জাকুড়ার 'মুড়ি মেলায়'।

কোভিডকে হারাতে মুড়ি মেখেই সঞ্জীবনী লাভের আশায় মেলা ভীড় কেঞ্জাকুড়ার মুড়ি মেলায়।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : কোভিড আবহেও উপচে পড়ল মানুষের ভীড়। সঞ্জীবনী শক্তি লাভ করে কোভিড কে হারাতে হাজার,হাজার মানুষ কেঞ্জাকুড়ার দ্বারকেশ্বর নদের চরে বসে একসাথে মুড়ি মেখে খেলেন।এই শতাব্দী প্রচীন মুড়ি মেলায় সঞ্জীবনী মাতার মন্দিরে পুজো দিয়ে নদীর চরে বসে মুড়ি খেলেই মেলে সঞ্জীবনী শক্তি। এই লোক বিশ্বাস যুগ,যুগ ধরে চলে আসছে। কোভিড আবহেও এই মুড়ি মেলায় ভীড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই কোভিড কে জয় করতে সঞ্জীবনী শক্তি লাভের আশায় এই মেলায় সপরিবারে বা কেও বন্ধু,বান্ধবদের সাথে নিয়ে চলে এসেছেন মেলা প্রাঙ্গণে।নদীর বালিতে গামছা পেতে,মুড়ি মেখে খেলেন তারা।এই মুড়ি মাখার জন্য


চপ,বেগুনি,সিঙ্গাড়া,চানাচুর,কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা,টমেটো, নারকেল লাড়ু, পেঁড়া,শশা, মূলো, ছোলা ভেজা,আঁচারের তেল সহ ছিল নানা উপাদেয় উপাদান।ফলে রাশি,রাশি মুড়ি শেষ হয়ে গেল চোখের নিমেশে।আর ছিল দেবীর মন্দিরে পুজো দিয়ে সঞ্জীবনী শক্তি লাভের প্রার্থনা।

অন্য বছর দুপুরে আয়োজন থাকে পাত পেড়ে পেটপুরে খিচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানোর আয়োজন। এবার কোভিড সতর্কতা মেনে তা নিয়ন্ত্রণ করেন আয়োজকরা। বসিয়ে প্রসাদ খাওয়ানোর পরিবর্তে কাউন্টারে প্রসাদ বিলি করা হয় এবছর। এদিকে, মেলায় মানুষের ভীড় উপচে পড়লেও সেখানে মুখে মাস্ক না পরে, কোভিড সতর্কতা বিধি অমান্যের চিত্রই ধরা পড়ল। আর নদীর চরে মুড়ি মেখে খাওয়ার সময়ও সামাজিক দুরত্বও উঠল শিকেয়।


মেলার দর্শনার্থীদের সাফ জবাব মাস্ক দরকার নেই, সঞ্জীবনী মাতার আশীর্বাদে মেলায় কোভিড থাবা বসাতে পারবেনা।তবে, এক্ষেত্রে প্রশাসনিক স্তরে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল বলেও অনেকে মনে করছেন, যারা নিজেরা মাস্ক পরছিলেন।যদিও এই দর্শনার্থীদের সংখ্যা হাতে গোনা।

এসব বাদ দিলে ফি বছরের মতো এবারও মুড়ি মেলায় মহা আনন্দেই মাতলেন দর্শনার্থীরা। তাদের অভিমত বিশ্বাসে মিলায় বস্তু,তর্কে বহু দূর। তাই বিতর্ককে দূরে ঠেলে সঞ্জীবনী শক্তি লাভের প্রার্থনাতেই মুড়ি মেখে খাওয়ার পরবে মাতলেন অগনিত মানুষ।

দেখুন 🎦 ভিডিও। 👇



Next Story