গত ২৪ ঘন্টায় ২০ সেমি বৃষ্টি জেলায়,গ্রীণ ট্রাইব্যুনালের গেরোয় আটকে নাব্যতা বৃদ্ধির কাজ,ফলে জল উপচে পড়ল গন্ধেশ্বরীতে।

গত ২৪ ঘন্টায় ২০ সেমি বৃষ্টি জেলায়,গ্রীণ ট্রাইব্যুনালের গেরোয় আটকে নাব্যতা বৃদ্ধির কাজ,ফলে জল উপচে পড়ল গন্ধেশ্বরীতে।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : একরাতের ভারী বর্ষণেই জল থৈ,থৈ গন্ধেশ্বরী! দুকুল ছাপিয়ে দিনভর বইল জল। আশঙ্কা বৃষ্টিপাত বাড়লে যেকোন সময় জল ছাপিয়ে রাস্তায় উঠবে,আর নদী তীরবর্তী এলাকায় জলডুবির জেরে জেরবার হবেন বাসিন্দারা। ফি বছর এই সমস্যা রুটিন হয়ে দাঁড়ালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সেতু তৈরীর কাজ আজও অধরা।


কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় নির্মাণ সামগ্রী আর আবর্জনায় নাব্যতাও কমেছে নদীটির। তার ওপর নদীর নাব্যতা বাড়ানোর জন্য সেচ দপ্তর ৫ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দ করলেও তা গ্রিণ ট্রাইবুনালের গেরোয় আটকে আছে।ফলে এই মরসুমেও ভোগান্তি থেকে নিস্তার পাওয়ার উপায় নেই আম জনতার। ফলে আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাদের।

এদিকে,গতরাতে জেলায় বৃষ্টি পাত হয় ২০ সেন্টিমিটার। এর জেরেই প্লাবিত হয় গন্ধেশ্বরী। খবর পেয়ে এদিন গন্ধেশ্বরী নদী পরিদর্শণে যান বাঁকুড়া পুরসভার প্রতিনিধিরা।পাশাপাশি,বিধায়ক নিলাদ্রি দানাও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এই ঘটনার জন্য, রাজ্য সরকারের ঘাড়েই দায় চাপান।


যদিও বাঁকুড়া পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের সদস্য ও জেলা তৃণমূল মুখপাত্র দিলীপ আগরওয়াল বিধায়কের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন,সেচ দপ্তর নদীর নাব্যতা বাড়াতে ড্রেজিং এর জন্য ৫ কোটি টাকা অনুমোদন করলেও গ্রিণ ট্রাইবুনাল ভারী মেশিন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ড্রেজিং করায় সায় দেয়নি। ফলে পুরো প্রকল্পটি আটকে গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই মজে যাওয়া নদীতে একটু বৃষ্টি হলেই জল ছাপিয়ে যাচ্ছে।

প্রায় চার বছর পার হয়ে গেলেও সেতু তৈরীর কাজ আজও শেষ হয়নি। তার ওপর দিন,দিন নাব্যতা হারাতে,হারাতে নদী আজ নালায় পরিণত হয়েছে। তাই ড্রেজিং করে নাব্যতা না বাড়ানো হলে এমন দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে তা বলাই বাহুল্য।

👁️দেখুন 🎦 ভিডিও। 👇


Next Story