শহরে পেট্রোল সঙ্কট! সিংহভাগ পাম্পে বন্ধ পেট্রোল বিক্রি,নাকাল আম জনতা।
রাজবাঁধ ডিপো সূত্রে অবশ্য আশ্বাস মিলেছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু তার আগে এই ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন শহরবাসী।

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : একদিকে বিধানসভা ভোটের উত্তাপ, অন্যদিকে রামনবমী উৎযাপন ঘিরে প্রস্তুতি—এই দুইয়ের চাপে কার্যত শহরে পেট্রোলের চাহিদা তুঙ্গে। আর এই অবস্থায় পেট্রোলের সঙ্কট দেখা দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বুধবার শহরের সিংহভাগ পেট্রোল পাম্পে বিক্রি বন্ধ থাকায় চিত্রটা আরও জটিল হয়েছে।যে কয়েকটি হাতে গোনা পাম্প খোলা রয়েছে, সেখানেও সকাল থেকেই উপচে পড়ছে ভিড়। ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তবেই মিলছে পেট্রোল। যার জেরে চরম হয়রানির মধ্যে পড়ে, অনেকেই পুরনো দিনের কথা টেনে বলছেন, “এভাবে যদি চলতে থাকে, আবার না লকডাউনের মতো পরিস্থিতি ফিরে আসে!”তবে পাম্প মালিকদের একাংশ এই আতঙ্ককে বাড়াবাড়ি বলেই মনে করছেন। শহরের এক পাম্প মালিক রাজেশ কুমার ড্রোলিয়া জানান:
অন্য পাম্পে পেট্রোল সরবরাহ না থাকায় তারা বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।কিন্তু তাঁর পাম্পে মজুত থাকায় বিক্রি চালু রয়েছে। তাঁর কথায়, “আতঙ্কে মানুষ বেশি করে পেট্রোল কিনছেন। কিন্তু অযথা দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।” তবুও বাস্তব চিত্র অন্য কথা বলছে। পেট্রোলের খোঁজে এক পাম্প থেকে আর এক পাম্পে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে বহু মানুষকে। মাচানতলার ইন্ডিয়া অয়েল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, যানজট—সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন আম জনতা। এদিকে, রাজবাঁধ ডিপো সূত্রে অবশ্য আশ্বাস মিলেছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু তার আগে এই ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন শহরবাসীর। এদিন দিনভর শহরের মাচানতলায় একটি পাম্প খোলা ছিল। এখানে সকাল থেকেই ভীড় ছিল উপচে পড়া।
জানা গিয়েছে, ভোটের প্রচারে ব্যবহৃত গাড়ি ও প্রচার সঙ্গীদের বাইকের জন্য বিপুল পরিমাণে তেলের চাহিদা তৈরি হয়েছে। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে রামনবমীর বাইক মিছিলের প্রস্তুতি। ফলে জেলায় পেট্রোলের চাহিদা একলাফে বেড়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষের একাংশ আতঙ্কে :অতিরিক্ত তেল মজুত করতে শুরু করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এখন দেখার আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে শহরে পেট্রোলের যোগান স্বাভাবিক হয় না উলটে সঙ্কট বাড়তেই থাকে?
👁️🗨️দেখুন🎦ভিডিও। 👉




