কেশরা–কাটজুড়িডাঙ্গা হল্টে থামবে ১০টি প্যাসেঞ্জার/MEMU ট্রেন, রেলবোর্ডে প্রস্তাব পাঠাল দক্ষিণ-পূর্ব রেল।
কেশরা–কাটজুড়িডাঙ্গা (KJRG) প্যাসেঞ্জার হল্ট স্টেশনে একাধিক প্যাসেঞ্জার ও MEMU ট্রেনের স্টপেজ চালুর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে রেলবোর্ডে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে মোট ১০টি ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : বাঁকুড়া জেলার রেল যোগাযোগে বড় সুখবর। আদ্রা ডিভিশনের অধীনে সদ্য চালু হওয়া কেশরা–কাটজুড়িডাঙ্গা (KJRG) প্যাসেঞ্জার হল্ট স্টেশনে একাধিক প্যাসেঞ্জার ও MEMU ট্রেনের স্টপেজ চালুর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে রেলবোর্ডে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে মোট ১০টি ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। রেল সূত্রে জানা গেছে, বাঁকুড়া (BQA) ও আঁচুড়ি (ANCR) স্টেশনের মাঝখানে অবস্থিত কেশরা–কাটজুড়িডাঙ্গা হল্টটি ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে যাত্রী বুকিংয়ের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে, সেখানে নিয়মিত ট্রেন থামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের চিফ প্যাসেঞ্জার ট্রান্সপোর্টেশন ম্যানেজার অশীষ কুমারের স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে,১০ টি ট্রেন এই হল্ট স্টেশনে স্টপেজ দেবে।
কেশরা–কাটজুড়িডাঙ্গা স্টেশনে থামানোর জন্য যেসব ট্রেনের নাম পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে—
68083 (VSU–ADRA) MEMU
68084 (ADRA–VSU) MEMU
68087 (VSU–DHN) MEMU
68088 (DHN–VSU) MEMU
68089 (MDN–ADRA) MEMU
68090 (ADRA–MDN) MEMU
68097 (GBA–ADRA) MEMU
68098 (ADRA–GBA) MEMU
68101 (KGP–ADRA) MEMU
68102 (ADRA–KGP) MEMU
প্রস্তাব অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিটি ট্রেন সেখানে এক মিনিট করে দাঁড়াবে।
এদিকে বিষয়টি দ্রুত অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে চিঠি দিয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বাঁকুড়ার প্রাক্তন সাংসদ ডা: সুভাষ সরকার। চিঠিতে তিনি জানান, তাঁর সাংসদ তহবিল (MPLAD) প্রকল্পে কেশরা–কাটজুড়িডাঙ্গা হল্ট স্টেশনটি গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে ট্রেন স্টপেজ চালু হলে এলাকার মানুষ প্রকৃত অর্থে রেল পরিষেবার সুবিধা পাবেন এবং স্থানীয় যোগাযোগ আরও মজবুত হবে। ডা: সুভাষ সরকার তাঁর চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, রেলের সংশ্লিষ্ট দফতর ইতিমধ্যেই প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য রেলবোর্ডে পাঠিয়েছে। দ্রুত অনুমোদন মিললে সাধারণ যাত্রী, ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে।এখন রেলবোর্ডের চূড়ান্ত ছাড়পত্রের অপেক্ষায় কেশরা–কাটজুড়িডাঙ্গা সহ আশপাশের এলাকার মানুষ।
অনুমোদন মিললেই এই নতুন হল্ট স্টেশন কার্যত পূর্ণাঙ্গ যাত্রী পরিষেবায় যুক্ত হবে বলে আশাবাদী রেল কর্তৃপক্ষ ও এলাকার মানুষ।




