দ্বারকেশ্বর নদে বালি তোলার সময় উদ্ধার দুষ্প্রাপ্য প্রাচীন বিষ্ণু মুর্তি, গ্রামেই এই মূর্তি স্থাপনের দাবীতে সরব গ্রামবাসীরা।

দ্বারকেশ্বর নদে বালি তোলার সময় উদ্ধার দুষ্প্রাপ্য প্রাচীন বিষ্ণু মুর্তি, গ্রামেই এই মূর্তি স্থাপনের দাবীতে সরব গ্রামবাসীরা।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : জেলার ওন্দা থানা এলাকার তপোবন গ্রামের দ্বারকেশ্বর নদে মিলল বিষ্ণুর বামন অবতারের অতি প্রাচীন প্রস্তর মূর্তি। মঙ্গলবার সকালে এখানে নদী থেকে বালি তোলার সময় এই প্রস্তর মূর্তি উদ্ধার হয়। যা অন্ততপক্ষে হাজার বছরেরও বেশী প্রাচীন বলে মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায়।


দক্ষিন ভারতের হলুদ ক্লোরাইট পাথরে তৈরি এই বিষ্ণুমূর্তি চতুর্ভুজ হলেও একটি হাত ভগ্ন। হাতে শঙখ, পদ্ম,চক্র ও আয়ুধ রয়েছে। এবং বনমালা ও উপবীত পরিহিত এই মূর্তির চারপাশে আরও চার মূর্তি রয়েছে। মূর্তির দেখে প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এটি বিষ্ণুর বামন অবতারের রুপ। স্থানীয়রা এই মূর্তি উদ্ধারের ঘটনা থানায় জানালে পুলিশ তা উদ্ধার করে আপাতত থানায় নিরাপদ হেফাজতে রেখেছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন এই পাথরের মুর্তি উচ্চতায় প্রায় চার থেকে সাড়ে চার ফুট এবং চওড়াও প্রায় আড়াই ফুট। এবং ওজনও চার থেকে পাঁচ কুইন্টাল বলে তাদের ধারণা। কারন জনা পনের লোক মিলেও মূর্তি তুলতে হিমসিম খেয়ে যান। গ্রামবাসীরা দাবী তুলেছেন গ্রামেই মন্দিরে স্থান পাক এই বিষ্ণুর বামন অবতার।


কারণ, সোনাতোপলে সুর্য মন্দির র‍য়েছে। এই মন্দির লাগোয়া তপোবনে বিষ্ণু মুর্তি স্থাপিত হলে দুই গ্রামের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বাড়বে এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও লোকের আনাগোনা বাড়বে। ফলে গ্রামের অর্থনৈতিক উন্নতি হবে।


এদিকে,জেলা প্রশাসন এই মূর্তি উদ্ধারের বিষয়টি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নজরে আনছে। এবং বিশেষজ্ঞরা মুর্তি দেখতেও আসতে পারেন। তার পর এটি কোলকাতা জাদুঘরে বা বিষ্ণুপুরের মিউজিয়ামে স্থান পাবে না গ্রামেই মন্দিরে স্থাপন করা হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

👁️ দেখুন 🎦 ভিডিও। 👇





Next Story