নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও ৬০ বছর চাকরির নিশ্চয়তার দাবী মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীকে আর্জি অস্থায়ী কলেজ কর্মীদের।

সরকারি অর্ডার আছে, অথচ সেই অর্ডার আজও লাগু হয়নি। ফলে রাজ্যের কলেজগুলোর ৮ হাজার অস্থায়ী কর্মীর সাথে বাঁকুড়া জেলার প্রায় ২৭৫ জন অস্থায়ী কলেজ কর্মীর নেই কোন নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো। নেই ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরির নিশ্চয়তাও। তাই রাজ্য জুড়ে আন্দোলনের পাশাপাশি তাদের সমস্যা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন।

নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও ৬০ বছর চাকরির নিশ্চয়তার দাবী মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীকে আর্জি অস্থায়ী কলেজ কর্মীদের।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : শিক্ষামন্ত্রীর কাছে বারে,বারে আবেদনেও মেটেনি সমস্যা! তাই এবার জেলার অস্থায়ী কলেজ কর্মীদের সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ কলেজ ক্যাজুয়াল কর্মী সমিতি এই সমস্যা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপের দাবী তুললেন।তাদের অভিযোগ, সরকারি অর্ডার থাকলেও তা লাগু না হওয়ায় তাদের নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো চালু হয়নি। নেই ৬০ বছরের চাকরির নিশ্চয়তাও। ফলে নাম মাত্র বেতনে বিভিন্ন কলেজের দরজা খোলা থেকে যাবতীয় অশিক্ষক কর্মীর কাজ করতে হয় তাদের। কোন কলেজ বিনিময়ে ৩ হাজার বা কোন কলেজ ৫ হজার করে যে যার ইচ্ছে মতো বেতন দেয়। খুব সিনিয়ার কর্মী হলেও সর্বোচ্চ বেতন ১০ হাজারের গন্ডি টপকায় না। তাই সারা রাজ্যের প্রায় সাড়ে আট হাজার অস্থায়ী কর্মীদের সাথে বাঁকুড়ার ১৩ টি কলেজের প্রায় ২৭৫ জন অস্থায়ী কলেজ কর্মী তাদের দাবী আদায়ে আন্দোলন শুরু করেছেন। সমিতির সদস্যরা শহরের সম্মিলনী কলেজ গেটে শুক্রবার থেকে ধর্ণা অবস্থানে বসেছেন।

প্রসঙ্গত,২০১৯ সালের জুলাই মাসে এই অস্থায়ী কর্মীদের জন্য সরকারি নির্দেশ জারী করে বলা হয়েছিল রাজ্যের এই অস্থায়ী কলেজ কর্মীদের গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি গ্রেড অনুযায়ী বিন্যাসের পর, তাদের বেতন কাঠামো তৈরি করা হবে। এবং সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে বেতন বৃদ্ধির সুবিধা মেলার কথাও উল্লেখ করা আছে ওই নির্দেশে। কিন্তু, তা আজও লাগু হয়নি। সেই কারণে, চরম আর্থিক অনটনেই কাটাতে হচ্ছে রাজ্যের সাড়ে ৮ হাজার অস্থায়ী কলেজ কর্মীর পরিবার গুলোকে। এই অবস্থায় তারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এই সমস্যা মেটানোর আর্জি জানিয়েছেন।

এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী তাদের এই আর্জিতে সাড়া দিয়ে সমস্যা সমাধানের কোন ইঙ্গিত দেন কিনা? সেদিকেই নজর রইল অস্থায়ী কলেজ কর্মীদের পরিবার গুলোর।

দেখুন 🎦 ভিডিও। 👇


Next Story