চপ দোকান থেকে মাছ ভাত,বাঙ্গালীর হাঁড়ির খবর রাখছে মোমো!

চপ দোকান থেকে মাছ ভাত,বাঙ্গালীর হাঁড়ির খবর রাখছে মোমো!
X

বাঁকুড়া২৪X৭ (Exclusive) প্রতিবেদন: এবার মোমো বাঙ্গালীর ভাতের হাঁড়িরও খবর রাখতে শুরু করেছে! নিজের চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ার জন্য করা হোয়াটস অ্যাপে চ্যাটে কথার ধরন দেখে মোমো বুঝে ফেলছে যে সে বাঙ্গালী কিনা? শুধু তাই নয় বাঙ্গালীর কৃষ্টি,সংস্কৃতি, কোথায় ঘাটতি তাও বেশ ভালো ভাবে রপ্ত করে ফেলেছে মোমো।বাঁকুড়া পুর শহরের বড়ো কালীতলা এলাকার এক কলেজ ছাত্রীর সাথে মোমো হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটে বাঙ্গালী নিয়ে ঠাট্টাও করেছে এই বলে যে,বাঙ্গালীরা নাকি অকর্মন্য?খানিকটা চপের দোকানের মতো! পাশাপাশি,মোমো বাঙ্গালীদের যে প্রিয় খাবার না,বরং মাছ ভাতই প্রিয় তাও জানিয়ে দিয়েছে সে! আসলে টানা কদিনে বাঙ্গালীদের সাথে চ্যাট করে,করে শেষে বাঙ্গালীর মন জয় করতে "বাঙ্গালীর"- ইউকিপিডিয়া ঝালিয়ে নিয়েছে মোমো। তাবে, এখনও বাঁকড়িটাই অধরা রয়ে গেছে মোমোর কাছে। তাই গেম না খেলতে চেয়ে এই কলেজ ছাত্রী যখন বলে বসে,"খেলব নাই, কী করে লিবি... যা...তখনই পিছু হটে মোমো।

মোমোর সাথে এই চ্যাটের স্কীন শর্ট এখন রীতিমতো ভাইরাল! রাতারতি এই কলেজ পড়ুয়া কিশোরীও কলেজ,টিউশন, পাড়া ও আত্নীয় স্বজনের কাছে "মোমো খেদানোর"- রোল মডেল হয়ে গেছে। পথে ঘাটে অনেকেই আাড় চোখে দেখে বলছে দেখ!এই মেয়েটাই মোমোকে জব্দ করেছিল। অনেকে এগিয়ে এসে ঘটনা জিজ্ঞাসাও করছেন। এসব উপভোগও করছে এই কিশোরী। মোমো আতঙ্ক তাড়াতে জেলার রোল মডেল হয়ে গিয়েছে সে।

তার কথায়,আচমকাই হোয়াটস অ্যাপে একটি ভার্চ্যুয়াল নাম্বার থেকে মোমোর প্রোফাইলে চ্যাট করে খেলার অনুরোধ আসে।

মোমোর প্রথম বার্তাই ছিল অ্যাই অ্যাম মোমো? উত্তরে মেয়েটি মোমো খায়না তা জানালে মোমো পাল্টা বলে বাঙ্গালীরা মাছ খায়। এমন কি খেলতে না চাওয়ায় বাঙ্গালীদের চপ দোকানের মতো অর্কমন্য তকমাও দেয় মোমো।তবে শেষ পর্যন্ত মোমো গেম খেলতে রাজী হয় নি। আর খেলবেও না তা বুঝে গিয়ে আর সময় নষ্ট না করে নুতন শিকার ধরতে এই মেয়েটিকে ছেড়ে পিছু হটে মোমো।

তবে,মোমোর আড়ালে কোন মেকী মোমো এমন কান্ড ঘটাচ্ছে কিনা সেই সন্দেহও জাগছে। সামান্য মাসিক ভাঁড়ায় বা অনেক সময় বিনামূল্যের অফারে এমন ভার্চ্যুয়াল নাম্বার ব্যবহার করতে দেয় অনেক কোম্পানী। আমার,আপনার পাশের বাড়ীর যে কেও তার আসল সিমের লিংকে ড্যামি হিসেবে ভার্চ্যুয়াল নাম্বার নিতেই পারে। সে মোমে সেজে কারসাজি করলে কারও ধরার উপায় নেই। তবে পুলিশ ইচ্ছে করলে আসক সিমের নাম্বার কোম্পানীর কাছে জানলেই প্রকৃত ব্যক্তি ধরা পড়ে যাবেন। তবে এসব বিদেশী কোম্পানীর সাথে এদেশ থেকে যোগাযোগ করাও যেমব কঠিন। তেমনি, নিজেদের ব্যাবসা বাঁচাতে এদেশের পুলিশকে সাহায্যও করবেনা তারা এই ফাঁকে মোমোদের রমরমা যে বাড়ছে! তা বলাই বাহুল্য।

Next Story