কোভিড কড়চা

জেলায় একদিনে 'হাফ ডজন'- কোভিড রোগীর মৃত্যু! আক্রান্ত হলেন ৫১১ জন।

বাঁকুড়া জেলায় একদিনে হাফ ডজন কোভিড রোগীর মৃত্যু হল।পাশাপাশি ৫১১ জন নুতন করে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আজ স্বাস্থ্য দপ্তরের কোভিড বুলেটিনে জানানো হয়েছে।এই মারণ ভাইরাস এপর্যন্ত জেলায় মোট ১২৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

জেলায় একদিনে হাফ ডজন- কোভিড রোগীর মৃত্যু! আক্রান্ত হলেন ৫১১ জন।
X

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : কোভিডের দ্বিতীয় ঢেও আছড়ে পরার পর রেকর্ড সংক্রমণ ঘটল জেলায়। স্বাস্থ্য দপ্তরের কোভিড বুলেটিনে বাঁকুড়া জেলায় একদিনে ৫১১ জন নুতন করে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আজ জানানো হয়েছে এবং ওই দিন( ৮ মে) জেলায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এই মারণ ভাইরাস এপর্যন্ত জেলায় মোট ১২৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।


পাশাপাশি,এপর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৯,০২৯ জন। এদিকে একদিনে ৫১১ জন আক্রান্ত যেমন হয়েছেন তেমনি একদিনে ৩৯০ জন সেরেও উঠেছেন৷ সারা জেলায় সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ২,৭৬৩ জন। এই হিসেব সরকারি ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।এর বাইরেও প্রচুর লোক জেলায় আক্রান্ত হয়ে বাড়ীতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মৃদু বা মাঝারি উপসর্গ নিয়ে।

তারা কোভিড পরীক্ষা কেন্দ্রে না যেতে পারায় তাদের উপসর্গ থাকলেও তারা পজেটিভ কিনা তা অধরাই থেকে যাচ্ছে।অনেকে বাড়ীতে মারাও পড়ছেন। সেই সংখ্যা বুলেটিনে প্রকাশ হচ্ছেনা। তাই চিকিৎসক মহল ও বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দাবী তুলেছে কোভিড পরীক্ষা বাড়ানো হোক। কোভিডের প্রথম পর্যায়ে যে ভাবে বাড়ীতে এসে পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল জেলায়, সেই ব্যবস্থা ফের চালু করা হোক।


এর পাশাপাশি,অনেকে নমুনা জমা দিয়েও পরীক্ষার ফল জানতে পারছেন না। তার ওপর রয়েছে জেলায় কোভিড চিকিৎসা ব্যবহৃত ওষুধ ও ইনজেকশন এবং অক্সিজেনের ঘাটতি! ফলে চরম সমস্যায় পড়ছেন কোভিড আক্রান্তের পরিবার গুলি।অন্যদিকে,জেলার ওষুধ ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন সব ওষুধ তারা অর্ডার দিলেও স্টকিষ্ট সরবরাহ করতে পারছেন না।

জেলা স্বাস্থ দপ্তর সুত্রে জানা যাচ্ছে, কোভিড টেস্টের কিট পর্যাপ্ত না থাকায় গণ পরীক্ষা করাও যাচ্ছেনা। দিন,দিন জেলাতেও কোভিড পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই অবস্থায় বাঁচার একমাত্র উপায় সংক্রমণ এড়ানো। যার জন্য মাস্ক মাস্ট এবং কোভিড সতর্কতা বিধি মানায় আমাদের সব থেকে গুরুত্ব দিতে হবে।


আর কোভিড উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড পজেটিভ রিপোর্ট আসার জন্য বসে না থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষূধ খাওয়া শুরু করে দিতে হবে। শারিরীক পরিস্থিতি জটিল হলে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে দ্রুত। অযথা সময় নষ্ট করকেই কিন্তু মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে। তাই গড়িমসি না করে সাথে,সাথে সিদ্ধান্ত নিন। নিকটবর্তী কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থা করবেন।

নিজের,নিজের পাড়ায় অকারণে জমায়েত, ভীড়,আড্ডা, দেখলেই প্রতিবাদ করুন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন। আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন।জারি রাখুন কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই এবং পাশে থাকুন কোভিড আক্রান্ত পরিবার গুলির। সহায়তা করুন স্থানীয় প্রশাসনের সাথে। এবং কোভিড সংক্রান্ত যাবতীয় রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ ও সুরক্ষাবিধি মেনে চলুন।



Next Story