তুষু ভাসান পরবে আবেগে ভাসল মল্লভূম বিষ্ণুপুর। দেখুন ভিডিও প্রতিবেদন।
চিরাচরিত প্রথা মেনে মল্লভূম বিষ্ণুপুরে রাতভর টুসুর জাগরণের পর পৌষ সংক্রান্তির ভোর বেলাই মল্লভূমবাসী মাতলেন তুষু ভাসান পরবে।

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : তুসু ভাসান পরবে আবেগে ভাসল মল্লভূম বিষ্ণুপুর। রাঢ় বাংলার লোকসংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে লোক উৎসব তুষু পরব। অনেকের বিশ্বাস তুসু হলেন দেবী লক্ষ্মীর আরেক রূপ, আবার কারও কাছে তিনি রাঢ়ের লৌকিক দেবী। পরিচয় নিয়ে মতভেদ থাকলেও একটি বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই—টুসু রাঢ় বাংলার ঘরের মেয়ে। সারা পৌষ মাস জুড়ে গাঁদা ফুল ও তুষ দিয়ে সাজানো পোড়া মাটির টুসু খোলায় গানে গানে চলে আরাধনা। পৌষ সংক্রান্তির আগের রাতেই সারা রাঢ় বাংলা জুড়ে চলে চিরাচরিত টুসু জাগরণ।চিরাচরিত প্রথা মেনে মল্লভূম বিষ্ণুপুরে রাতভর টুসুর জাগরণের পর পৌষ সংক্রান্তির ভোর বেলাই মল্লভূমবাসী মাতলেন তুষু ভাসান পরবে। নজর কাড়া সাজ-সজ্জায় বানানো হয় তুুুুুষুর চৌদল।
যমুনা বাঁধের পাড়ে বিষ্ণুপুর শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তুষু ব্রতীরা শোভাযাত্রা করে টুসুর চৌদল সাজিয়ে হাজির হন। টুসু গান,নাচ আর বাজনার তালে তুষুকে বিদায় জানানোর পালা শুরু হয়ে যায়। যমুনা বাঁধে টুসুর চৌদল ভাসিয়ে মকর স্নানও সারেন মল্লভূমবাসী। চোখের জলে ঘরের মেয়েকে তুষুকে বিদায় জানিয়ে আট থেকে আশি সকলের একটাই কামনা করেন —“পরের পৌষে আবার এসো মা।” আবেগ, ঐতিহ্য আর লোকসংস্কৃতির মেলবন্ধনে তুষু ভাসান পরব কার্যত রাঢ় বাংলার প্রাণের উৎসবের আকার নেয় তা বলাই বাহুল্য।
👁️🗨️দেখুন🎦ভিডিও। 👇




