বাজার-বানিজ্য

পান্তাভাতে দেশী মাছের জয়জয়কার! মানবাজারের রুই-কাতলায় মাতোয়ারা শহর বাঁকুড়া।

মৎস রসিকদের দাবি,মানবাজারের রুই বা কাতলার স্বাদ ও যেমন ভালো,তেমনি আঁশটে,বা শ্যাওলা গন্ধও নেই। একেবারে, আগেকার জমিদার বাড়ির পুকুরের মাছের স্বাদ মেলে মানবাজারের রুই কাতলায়।

পান্তাভাতে দেশী মাছের জয়জয়কার! মানবাজারের রুই-কাতলায় মাতোয়ারা শহর বাঁকুড়া।
X

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : দক্ষিনের চালানি মাছ থেকে এবার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন শহরবাসী। পান্তাভাতে সবার ঝোঁক দেশী মাছের দিকেই। বছরভর চালানি মাছ,ময়নার মাছ আর ট্যাঙ্কির মাছে স্বাদ মেটালেও পান্তাভাতে সিংহভাগ ক্রেতা চাইছেন, একটু বেশী দাম দিয়ে হলেও দেশী মাছই কিনবেন। কারণ, দেশী মাছের অকৃত্রিম স্বাদের ধারে কাছে যেতে পারেনা দক্ষিণ ভারতের রুই- কাতলা বা বিলাসপুরী রুই কিংবা ময়নার রুই। ফলে দাম তুলনামুলক বেশী হলেও দেশী মাছে কিনতে উপচে পড়ছে ভীড়। এদিন সকালে চকবাজারে এমন চিত্রই ধরা পড়ল বাঁকুড়া২৪এক্স৭ এর ক্যামেরায়। এদিন কার্যত কাক ভোর থেকেই শহরের চকবাজার,দোলতলা, মনোহরতলা,কৃষক বাজার, মাচানতলা, কাটজুড়িডাঙ্গা,লালবাজার সহ শহরের সব জায়গায় মাছ বেচা - কেনা শুরু হয়ে যায়৷


এবং তা প্রায় রাত্রি ১০ টা সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত চলবে বলে মনে করা হচ্ছে। বড়ো বাজারের পাশাপাশি,পাড়ায়,পাড়ায় কেবল পান্তাভাতের জন্য অনেকে মাছ বিক্রি করছেন। সর্বত্রই দেশী মাছের চাহিদা এবার তুঙ্গে। বাাঁকুড়া শহরের চকবাজারের জনপ্রিয় খুচরো মাছ বিক্রেতা বাসুদেব ধীবর পান্তাভাতের জন্য তার দোকান বেলুন,কাগছের ফুল দিয়ে দারুণ সাজিয়ে তুলেছেন৷ চকবাজার ঢুকলেই মাছের দোকানের এই সাজসজ্জা পান্তাভাত ভাইব তুলে ধরছে। বাসুবাবু জানালেন, পড়শি জেলা পুরুলিয়ার মানবাজার থেকে এবারও জাম্বো রুই,কাতলা এসেছে।এবং জলের মধ্যে একেবারে জ্যান্ত ছেড়ে রাখা হয়েছে।ক্রেতারা যে যার পছন্দের মাছ বেছে নিতে পারছেন। দেশী মাছের চাহিদা এবার বেশী৷ মানবাজারের রুই,কাতলা সাইজ অনুযায়ী ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি।

এছাড়া বাংলাদেশের ইলিশও এসেছে দাম ১৮০০ টাকা কেজি। আর একটু ছোট সাইজের ইলিশ ১২০০ টাকা কেজিতে বিকোচ্ছে। পাশাপাশি, গলদা চিংড়ির এদিনের দাম ৭০০ টাকা কেজি। সব থেকে বেশী বিক্রি মানবাজারের দেশী রুই ও কাতলার এমনটাই জানালেন বাসুবাবু।পান্তাভাতে এবার শহরবাসী মজেছেন মানবাজারের অতিকায় কাতলা ও রুই মাছে। তাদের কথায়, দাম বেশী হলেও মান বাঁচাতে মানবাজারের জাম্বো মাছই একমাত্র ভরসা। মৎস রসিকদের দাবি,মানবাজারের রুই বা কাতলার স্বাদ ও যেমন ভালো,তেমনি আঁশটে,বা শ্যাওলা গন্ধও নেই। একেবারে, আগেকার জমিদার বাড়ির পুকুরের মাছের স্বাদ মেলে মানবাজারের রুই কাতলায়। আর সাইজও ভালো আড়াই থেকে সাড়ে তিন - চার কেজির রুই মিলছে বাজারে।আর কাতলা তো ছয় কেজিও ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

তাই এবার বাঁকুড়া শহরে পান্তাভাতে মাছের বাজারে বাজীমাৎ মানবাজারের অতিকায় রুই কাতলার।

👁️‍🗨️দেখুন🎦ভিডিও। 👇



Next Story