মেজিয়া-বড়জোড়া শিল্পাঞ্চল

জলের পাইপলাইন বসাতে গিয়ে রাস্তার দফারফ,ছাই চাপা দিয়ে হাল ফেরানোর চেষ্টা,প্রতিবাদে অবরোধে সিপিএম।

মালিয়াড়া গ্রাম থেকে মেটলি হয়ে দুর্গপুর ব্যারেজ পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার এই রাস্তার ওপর দিয়ে আট থেকে দশটি গ্রামের মানুষের নিত্য যাতায়াত। পাশাপাশি,দুর্লভপুর এলাকা থেকে রোজ কয়েক হাজার শ্রমিক দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে কাজে যোগ দিতে যান।তাই এই রাস্তার হাল না ফিরলে লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে পড়বে রাজ্যের শাসক দল, তা বলাই বাহুল্য।

জলের পাইপলাইন বসাতে গিয়ে রাস্তার দফারফ,ছাই চাপা দিয়ে হাল ফেরানোর চেষ্টা,প্রতিবাদে অবরোধে সিপিএম।
X

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : শাক দিয়ে মাছ চাপা দেওয়ার মতো বেহাল রাস্তা ঢাকতে, ছাই চাপা দেওয়ার চেষ্টা! এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের সেই চেষ্টা কার্যত বিফলেও গেল! তাপবিদ্যুৎ কেন্দের ছাই চাপা দিয়ে রাস্তার বেহাল দশা ঢাকলেও তা কদিনেইর মধ্যেই আগের চেহারা নিয়েছে।ফলে যাতায়াতের সমস্যায় পড়েছেন আমজনতা। এই কঙ্কালসার রাস্তা পুনরায় নতুন করে মেরামতের দাবীতে এবং এই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন সকাল থেকে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হল সিপিএম। ঘটনা জেলার বড়জোড়া ব্লকের মালিয়াড়া গ্রামের।পুলিশ এসে অবরোধ হটানোর চেষ্টা চালালে, পুলিশের সাথেও বচসা চরমে ওঠে।

সিপিএমের বড়জোড়া এরিয়া কমিটির সম্পাদক সুজয় চৌধুরী বলেন,গ্রাম সড়ক যোজনায় তৈরী হয়এই পাকা রাস্তা।বছর দুই আগে এই রাস্তার মেরামতও হয়েছিল।কোন অসুবিধা ছিল না।সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য দপ্তর রাস্তার তলা দিয়ে জলের পাইপ লাইন বসাতে গিয়ে রাস্তার বারোটা বাজিয়ে দেয়।ছাই ফেলে কোনরকমে রাস্তার হাল ফেরানোর চেষ্টা করে।কিন্তু রাস্তার হাল ফেরেনি।উলটে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বড়জোড়া ব্লকের মালিয়াড়া গ্রাম থেকে মেটালি হয়ে দুর্গাপুর ব্যারেজ যাওয়ার এই রাস্তাটি।এই রাস্তা মেরামতের জন্য বিডিওকে চিঠি দেয় স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্ব এবং ১৭ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে কাজ শুরুর ময়সীমা বেঁধে দেয়।

তাবুও কাজ শুরু হয়নি।সেই কারনেই এই অবরোধ বিক্ষোভ নেমেছেন তারা।যদিও,বড়জোড়ার তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় এই অবরোধকে বিজেপির সাথে আঁতাত করে সিপিএমের নোংরা রাজনীতির খেলা বলে কটাক্ষ করেছেন।তিনি বলেন,শনিবার ব্লক প্রশাসন সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও জনপ্রতিধিদের সাথে বৈঠক করে রাস্তা মেরামতের কথা জানিয়েছেন।তারপর রবিবার সিপিএম অবরোধের নাটক করছে।প্রসঙ্গত, মালিয়াড়া গ্রাম থেকে মেটলি হয়ে দুর্গপুর ব্যারেজ পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার এই রাস্তার ওপর দিয়ে আট থেকে দশটি গ্রামের মানুষের নিত্য যাতায়াত।

পাশাপাশি,দুর্লভপুর এলাকা থেকে রোজ কয়েক হাজার শ্রমিক দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে কাজে যোগ দিতে যান।তাই এই রাস্তার হাল না ফিরলে লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে পড়বে রাজ্যের শাসক দল, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার সেই পরিস্তিতি এড়াতে কত তাড়াতাড়ি রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু হয়?

👁️‍🗨️দেখুন🎦ভিডিও 👇


Next Story