শালতোড়ায় পাথর শিল্পে হাল ফেরানোর উদ্যোগ,২৫ হাজার কর্মসংস্থানের আশ্বাস অভিষেকের।
বর্তমানে শালতোড়ায় চারটে এবং মেজিয়ায় একটা মিলিয়ে মোট পাঁচটি পাথর খাদান চালু রয়েছে। আর প্রায় ২৫০ স্টোন ক্রাশারের মধ্যে চালু আছে প্রায় ১২০ টি। শালতোড়ায় ১৩৩ হেক্টর সরকারী জমিতে পাথর খাদান রয়েছে ১৮ টি। এই খাদান গুলো চালু করা গেলে এলাকায় পাথর শিল্পেই প্রায় ২৫ হাজার অতিরিক্ত কর্মসংস্থান

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : একসময় পাচামীর পরেই গুণমানে শালতোড়া ভ্যারাইটির পাথরের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা ছিল। বাংলার পাশাপাশি ভিন রাজ্যে পাড়ি দিত শালতোড়ার পাথর। কিন্তু নানা আইনি জটিলতা ও সরকারী দপ্তরের লাল ফিতের গেরোয় পুরো শালতোড়া জুড়ে পাথর শিল্প মুখ থুবড়ে পড়ে। পাথর খাদান বন্ধ হওয়ার জেরে কাঁচা মালের অভাবে বন্ধ হতে থাকে,একের পর এক স্টোন ক্রাশার।যার জেরে কাজ হারাতে বসেন পাথর শিল্পের সাথে যুক্ত হাজার,হাজার শ্রমিক। রুজি,রুটির তাগিতে তারা বাংলা ছেড়ে বাধ্য হয়ে পাড়ি দেন ভিন রাজ্যে। এবার বিধানসভা ভোটের দোড় গোড়ায় শালতোড়ার এই পাথর শিল্পের হাল ফিরিয়ে ব্যপক কর্মসংস্থানকে হাতিয়ার করে ভোট বৈতরণী পার হতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধরণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, শনিবার শালতোড়ায় রণ সংকল্প সভায় ঘোষণা করেন,
আগামী দুই মাসের মধ্যে শালতোড়ায় সব পাথর খাদান ও স্টোন ক্র্যাশার চালু করে প্রায় ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে৷ এমনকি ৩১ শে মার্চের মধ্যেই হাল ফিরবে শালতোড়ার পাথর শিল্পের। স্থানীয় অর্থনীতিও খানিক চাঙ্গা হবে। এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর এই ঘোষণায় বেজায় খুশী শালতোড়ার পাথর শিল্পের সাথে যুক্ত শ্রমিকরা। তবে, পাথর শিল্পের সাথে একদা যুক্ত ছিলেন এমন অনেক শ্রমিক কেরল,ওড়িশা,বিহার,ঝাড়খন্ডে রুজি রুটির টানে পাড়ি দিয়েছেন। এসআইআর আবহে তাদের সিংভাগ এখন শালতোড়ায়। তাদের দাবি, মাত্র মাস দুয়েকের জন্য নয়,যদি বছর ভর স্থায়ীভাবে এই ব্যবস্থা জারি থাকে তবেই লাভ নইলে ভোটের আগে দুমাস চালু আর ভোটের পর যদি ফের বেহাল দশা হয় সেই আশঙ্কায় তারা ভিন রাজ্যের কাজ ছড়ার ঝুঁকিও নিতে পারছেন না।
অন্যদিকে,তৃণমূলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তারাশঙ্কর রায় বলে তৃণমূল একবার কথা দিলে,সেই কথা রাখে। তাই আগামী দু মাসের মধ্যেই শালতোড়ার অঅর্থনীতিও চাঙ্গা হয়ে যাবে।প্রসঙ্গত,বর্তমানে শালতোড়ায় চারটে এবং মেজিয়ায় একটা মিলিয়ে মোট পাঁচটি পাথর খাদান চালু রয়েছে। আর প্রায় ২৫০ স্টোন ক্রাশারের মধ্যে চালু আছে প্রায় ১২০ টি। শালতোড়ায় ১৩৩ হেক্টর সরকারী জমিতে পাথর খাদান রয়েছে ১৮ টি। এই খাদান গুলো চালু করা গেলে এলাকায় পাথর শিল্পেই প্রায় ২৫ হাজার অতিরিক্ত কর্মসংস্থান হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন আগামী ৩১শে মার্চ। এর আগেই পুরো কাজ শেষ করে ফেলতে হবে রাজ্য সরকারকে। এখন দেখার
এই কাজ কত দ্রুত সম্পন্ন হয়? তার ওপরই নির্ভর করছে তৃণমূলের ভোটের ভবিষ্যৎ!
👁️🗨️দেখুন 🎦ভিডিও 👇




