বিশিষ্ট সাংবাদিক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে ফুটবলার অজয় মুদি—জেলার কৃতীদের হাতে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ তুলে সংবর্ধনা তৃণমূলের।
ভোটের আগে এই উন্নয়নের পাঁচালির মাধ্যমে একেবারে পাড়ার স্তরে,প্রতি ঘরে,ঘরে জন সংযোগ গড়ে তুলছে তৃণমূল কংগ্রেস। যা বিরোধী শিবিরের চেয়ে খনিক এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে এমনটাই মনে করছেন জেলার রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

বাঁকুড়া২৪x৭ প্রতিবেদন : বাঁকুড়া: ভোটের ঢাকে কাঠি পড়তে আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই মাঠে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে উন্নয়ন হয়েছে, তারই সংকলিত রূপ ‘উন্নয়নের পাঁচালি’- হাতিয়ার করে ভোটের প্রচার চলছে জোর কদমে। পাঁচালি হাতে নিয়ে এখন বাঁকুড়া জেলার গ্রাম থেকে শহরে ঘরে ঘরে পৌঁছচ্ছেন শাসক দলের নেতা থেকে কর্মীরা।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, গ্রামোন্নয়ন, পরিকাঠামো, মহিলা ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের মতো একাধিক ক্ষেত্রে সরকারের কাজের হিসেব রয়েছে এই পাঁচালিতে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন জেলার প্রতি পাড়ায়,পাড়ায়,বাড়িতে বাড়িতে এই লক্ষ্মীর পাঁচালির প্রচার সারছে তৃণমূল কংগ্রেস।
এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে জেলার বিভিন্ন ব্লকে কৃতী ও সমাজসেবীদের সংবর্ধনা জানানো হচ্ছে। শালতোড়া ব্লকের স্বনামধন্য ফুটবলার অজয় মুদি-কে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ ও উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানান তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তারাশঙ্কর রায়-সহ দলীয় নেতৃত্ব। বাঁকুড়া–১ ব্লকের আচুড়ি এলাকার শিক্ষক ও ‘দাদাগিরি’ সিজন–৯-এর চ্যাম্পিয়ন মইনউদ্দিন চিস্তি সাহেবের বাড়িতে গিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই কর্মসুচিতে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া পুরসভার চেয়ারপার্সন অলকা সেন মজুমদার।সিমলাপাল ব্লকের বিশিষ্ট ব্যক্তি তপন।গঙ্গোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা জানানো হয়। অন্য দিকে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলায় যুব সভাপতি দেবনাথ বাউরীর উপস্থিতিতে অযোধ্যা হাই স্কুলের শিক্ষক ও সমাজসেবী সোমেশ মুখার্জির সঙ্গে মতবিনিময় হয়।
এ ছাড়াও, বিষ্ণুপুর শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক তথা বাংলার শেষ চারণ কবি প্রয়াত চারণ কবি বৈদ্যনাথের পুত্র স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ সহ উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানানো হয় তৃণমূল কংগ্রেসের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তারাশঙ্কর রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলায় যে উন্নয়ন হয়েছে,তারই বাস্তব ছবি মানুষের সামনে তুলে ধরাই এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য। সারা জেলা জুড়ে এই কর্মসুচি চলছে। ভোটের আগে এই উন্নয়নের পাঁচালির মাধ্যমে একেবারে পাড়ার স্তরে,প্রতি ঘরে,ঘরে জন সংযোগ গড়ে তুলছে তৃণমূল কংগ্রেস। যা বিরোধী শিবিরের চেয়ে খনিক এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে এমনটাই মনে করছেন জেলার রাজনৈতিক বোদ্ধারা।




