নজরে ভোট

ISF-এর ‘আপডেটেড ভার্সন’! বাঁকুড়া সহ গোটা রাজ্যে প্রার্থী দেবে ভাইজানের দল।

এখন দেখার, শেষ অবধি কোন শিবিরের ভোট বাক্সে হানা দিতে সক্ষম হয় ISF। তার, ওপরই নির্ভর করছে নবান্ন কার দখলে যায়? রাজ্যের ভোট কুশলীরা মনে করছেন, ISF এর সক্রিয়তা রাজ্যের শাসক দলকে যথেষ্ট বেগ দিতে পারে!

ISF-এর ‘আপডেটেড ভার্সন’! বাঁকুড়া সহ গোটা রাজ্যে প্রার্থী দেবে ভাইজানের দল।
X

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : ২০২১ এর ISF এখন আরও উন্নত। রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা ভোটের ময়দানে নামছে ISF এর আপডেটেড ভার্সন! বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের মড়ারে, অধিকার সভায় যোগ দিতে এসে সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন ISF সুপ্রিমো নওশাদ সিদ্দিকী।শনিবার বিকেলের এই সভায় ভীড় ছিল নজরকাড়া। নওশাদ সিদ্দিকী রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা ভোটে তৃণমূল, বাম এবং বিজেপি এই তিন দলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। তিনি,বলেন এতদিন ISF নিয়ে রাজ্যের মানুষের কাছে ভুল বার্তা প্রচার করেছিল বিরোধী দলগুলি। কিন্তু এবার মানুষ নিজেরাই টের পাচ্ছেন,যে ISF একটি ধর্মনিরপেক্ষ দল। তাই সব ধর্মের ও জাতির ভোটারদের কাছে ভোট চাইবেন তারা। বাঁকুড়া তো বটেই। পাশাপাশি, সারা রাজ জুড়ে প্রার্থী দেবে ভাইজানের দল।

পাশাপাশি, প্রার্থী তালিকায় সব ধর্মের,সব জাতির সমাহারও দেখতে পাবেন রাজ্যবাসী।ফলে সংখ্যালঘুদের দল ISF এই ধারনা আর অন্যন্যদের মধ্যে থাকবে না। প্রকৃত সেকুলার ভাবমূর্তি গড়ে তুলে রাজ্যের বাম- বিজেপি থেকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকেও এবার বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দেবেন ভাইজান। এটাই হল ISF এর মুল রাজনৈতিক এজেন্ড। যা, কার্যত এদিন সাংবাদিক বৈঠকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন নওশাফ সিদ্দিকী। এবার,বাঁকুড়া জেলার আসন গুলিতেও প্রার্থী দেবে ISF। তার প্রাথমিক প্রার্থী তালিকাও মোটামুটি তৈরি। এই অবস্থায় বিষ্ণুপুরের মড়ারে ভাইজানের অধিকার সভায় বিপুল লোক সমাগম, জেলার রাজনীতিতে নয়া সমীকরনের ঈঙ্গিত দিচ্ছে। এমনটাই মনে করছেন জেলার রাজনৈতিক মহল।

অন্যদিকে,মৌসম নূরের তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার ঘটনায় তীব্র কটাক্ষ করেন নওশাদ সিদ্দিকী।প্রসঙ্গত,সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে ভালো সংখ্যক ISF এর সমর্থক আছে। এর ওপর অন্যন্য সংখ্যাগুরু কমিউনিটি এবং বিভিন্ন জনজাতি যেমন সাঁওতাল,কুর্মি,বাউরি,বাগদী, কমিউনিটির লোকজনদের প্রার্থী পদ দিয়ে বিধানসভা ভোটে বাকী সব রাজনৈতিক দলগুলির ভোট বাক্সে ভাগ বসানোর কৌশন নিয়েছেন ভাইজান। এমনকি বিধানসভা ভোটের আগে অন্যদল ভাঙ্গানোর কাজও শুরু করে ফেলেছে ভাইজানের দল। মড়ারে তৃণমূল ছেড়ে আট জন কর্মী,সমর্থক আনুষ্ঠানিক ভাবে এদিন ISF এ যোগদান করেন। তারা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি আস্থা হারিয়ে এবার দল পরিবর্তন করলেন।


এখন দেখার, শেষ অবধি কোন শিবিরের ভোট বাক্সে হানা দিতে সক্ষম হয় ISF। তার, ওপরই নির্ভর করছে নবান্ন কার দখলে যায়? রাজ্যের ভোট কুশলীরা মনে করছেন, ISF এর সক্রিয়তা রাজ্যের শাসক দলকে যথেষ্ট বেগ দিতে পারে! কারন, তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটের কিছু অংশ ISF এর ঝুলিতে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েইছে। আর তা যদি সত্যি,সত্যি ঘটে,সেক্ষেত্রে ভোটে খানিক সুবিধা পেয়ে যাবে বিজেপি। পাশাপাশি, ভোটের আগে বাম- কংগ্রেস - ISF জোট যদি গড়ে ওঠে, তাহলে এই তৃতীয় ফ্রন্ট বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে যার ভোট ব্যাঙ্কে বেশী ফাটল ধরাবে, সেই দলই ধরাধায়ী হব,তা বলাই বাহুল্য।

👁️‍🗨️দেখুন🎦ভিডিও। 👇



Next Story