নজরে ভোট

দেখুন ভোটের অন্য ছবি ওন্দায় বর্ষীয়ান বিজেপি নেতাকে প্রণাম তৃণমূল প্রার্থীর।

গ্রামবাসীরাও এই সৌজন্যে আপ্লুত। তাঁদের আশা—রাজনীতির উত্তাপে এমন মানবিক সম্পর্ক অটুট থাকুক।

দেখুন ভোটের অন্য ছবি ওন্দায় বর্ষীয়ান বিজেপি নেতাকে প্রণাম তৃণমূল প্রার্থীর।
X

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : এক সময় বিজেপি জেলা কমিটিতে ছিলেন।সেই সময় রাজ্য সভাপতি ছিলেন প্রায়াত তপন সিকদার,আর বাঁকুড়া জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন গুণময় চট্টোপাধ্যায়। এখনও সেই স্মৃতি স্পষ্ট মনে পড়ে অশীতিপর চক্রধর পাত্রের। সেই ১৯৮০ সাল থেকে বিজেপি করে আসছেন তিনি।বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার সময় তিনি কর সেবক হিসেবে ১৯৯২ সালের ৬ ই ডিসেম্বর অযোধ্যায় গিয়েছিলেন৷ এখনও ওন্দার কাদাগোট গ্রামে তিনি আগমার্কা বিজেপি হিসেবেই পরিচিত। এই গ্রামে ভোট প্রচারে এসে এই বর্ষীয়ান বিজেপি নেতাকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন ওন্দার তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত দও। বিনিময়ে মিলল আশীর্বাদও। আর এই সৌজন্য রাজনৈতিক দলাদলি ছাপিয়ে এদিন ভোটের আবহে ভিন্ন বার্তা দিল তা বলাই বাহুল্য।

চক্রধর বাবু বললেন,আমি বিজেপি করি,তাতে কি এসে,যায়। আমি বয়স্ক মানুষ, তৃণমূল প্রার্থী আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করল,আমিও আশীর্বাদ দিলাম। এটা পরম্পরা৷ এর মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয় বিচারের কোন প্রশ্নই নেই বলে তিনি মনে করেন। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত বাবুও বলেন বয়জ্যোষ্ঠদের প্রণাম করে শুভ কাজ করার রিতী রয়েছে। এই গ্রামে প্রচার শুরুর আগে ওনার সাথে দেখা হল, ওনাকে প্রণাম করে গ্রামে প্রচার শুরু করলাম।উনিও আশীর্বাদ দিলেন। ভালো লাগছে। এখানে রাজনীতির প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়। বয়ষ্কদের সম্মান প্রদানটা তাঁ্র পরিবারিক কালচার। এদিকে,গ্রামের মানুষ এই রাজনৈতিক সৌজন্য দেখে আপ্লুত৷ তারাও চান এই রাজনীতির ময়দানে আবহ অটুট থাকুক।

👁️‍🗨️দেখুন🎦ভিডিও। 👇



Next Story