মেজিয়ার জেমুয়াতে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীরা,শান্তি ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আর্জি।

মেজিয়ার জেমুয়াতে গড়ে ওঠা স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দল এলাকায় শান্তি বিঘ্নিত করছে। তাই গ্রামের মানুষ স্থানীয় ও জেলা নেতাদের ওপর আস্থা হারিয়ে গ্রামে শান্তির পরিবেশ রক্ষায় এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্থক্ষেপের আর্জি জানাচ্ছেন।

Update: 2020-09-12 11:24 GMT

বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির রদবদলের ঠিক পরেই বিধায়ক স্বপন বাউরী ও তৃণমূল নেতা রবিলোচন গোপের অনুগামীদের সাথে আর এক তৃণমূল নেতা মলয় মুখোপাধ্যায়ের অনুগামীদের সংঘর্ষের জেরে উত্তাল হল মেজিয়া।তার জেরে এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে মেজিয়া ব্লকের জেমুয়া গ্রামজুড়ে। বৃহস্পতিবার রাতে এই সংঘর্ষ ঘটলেও তার আঁচ আজও কমেনি। গ্রামে রয়েছে পুলিশ পিকেট। তৃণমূলের এই গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে গ্রামের সাধারণ মানুষ জেরবার হচ্ছেন। মুলত জেমুয়া এলাকায় গড়ে ওঠা স্পঞ্জ আয়রন কারখানা গুলিতে তৃণমূলের কোন নেতার আধিপত্য থাকবে তা নিয়েই লড়াই চলে।

কখনও মারামারি,তো কখনও বোমাবজি গ্রামের শান্তি শিকেয় তুললেও তৃণমূলের জেলা নেতারা এই বিবাদ মেটাতে কোন উদ্যোগ নেননি। তাই গ্রামের বাসিন্দারা এবার গ্রামে শান্তি ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে,স্থানীয় বিজেপি নেতা স্বপন মুখোপাধ্যায় এই ইস্যুতে একহাত নিয়েছেন তৃণমূলকে। তার দাবী তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে এলাকার শান্তি শিকেয় উঠেছে। যা একেবারেই কাম্য নয়।

বিধানসভা ভোটের আগে যখন জেলা তৃণমূল তাদের সাংগঠনিক রদবদল ঘটিয়ে দলের শক্তি বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে ঠিক সেই সময় এই ধরণের গোষ্ঠী কোন্দল যে দলের কাছে বিড়ম্বনার বড়ো কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার এই গোষ্ঠী কোন্দলের অবসানে তৃণমূল থিঙ্ক ট্যাংক কি ব্যবস্থা নেন। সেদিকেই নজর রয়েছে মেজিয়ার জেমুয়ার গ্রামবাসীদের।

দেখুন 🎦 ভিডিও। 👇

Full View


Tags:    

Similar News